মেয়ে-বউকে দিয়ে দেহ ব্যবসা, খুন করে পুলিশকে ফোন

প্রকাশিত: ৮:৪২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৮ | আপডেট: ৮:৪২:অপরাহ্ণ, নভেম্বর ৫, ২০১৮
সিলেট

আটককৃত ও জিজ্ঞাসাবদের জন্য আটককৃতরা হলেন- উপজেলার দয়ামীর ইউপির দয়ামীর খালপাড় গ্রামের মৃত হুরমত উল্যার ছেলে আব্দুল বারী (৪০), তার কথিত স্ত্রী পাখি বেগম (২০), মেয়ে মোনালিসা (১৩) ও তাজপুর ইউপির মজলিসপুর গ্রামের জনাব আলীর ছেলে সেলিম মিয়া (৩৫)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওসমানীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে আব্দুল বারী ও অন্য আরেকজন থানায় ফোন করে জানান দয়ামীরে অজ্ঞাত এক নারীকে খুন করে মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ অনুসন্ধান করে এর সত্যতা পায়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে পুরো সংবাদ জানতে কৌশলে আব্দুল বারীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওই নারীকে তার বাড়িতে রোববার রাতে খুন করে দয়ামীর বাজারের পশ্চিমে মাটিচাপা দিয়ে মরদেহ গুমের কথা স্বীকার করেন। খুন করতে তাকে আরও কয়েকজন সহযোগিতা করেছেন বলেও জানান বারী। তবে, নিহত নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে দয়ামীর বাজারের কনাইশাহ (র.) মাজারের পশ্চিমের খালি জায়গা থেকে মাটিচাপা দেয়া নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

জানা যায়, নিহত নারী ও কথিত স্ত্রী-মেয়ে এবং বিভিন্ন নারীকে দিয়ে নিজের বাড়িতেই দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন আব্দুল বারী। পরে এক নারীকে হত্যা করেন বারী। তবে ওই নারীকে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে তা জানাননি বারী।

সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে দয়ামীর ইউপির দয়ামীর বাজারের কনাইশাহ (র.) মাজারের পশ্চিম পাশ থেকে ওই নারীর মরদেহ তোলা হয়। এর আগে রোববার রাতে ওই অজ্ঞাত নারীকে হত্যা করা হয়।