যা থাকছে এরশাদের ১৮ দফায়

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৫:০০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৮ | আপডেট: ৫:০০:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০১৮
সংগৃহীত

সমাবেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।

নির্বাচনের আগে সম্মিলিত জাতীয় জোটের মহাসমাবেশ থেকে ‘সুশাসনের লক্ষ্যে ও জাতির মুক্তির পথে’ ১৮ দফা ঘোষণা করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

তার এই ১৮ দফার মধ্যে প্রাদেশিক সরকার গঠন করে প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ, নির্বাচন পদ্ধতি ও নির্বাচন কমিশনের সংস্কার ও পুনর্গঠন এবং সন্ত্রাস দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নিজেদের ‘শক্তিমত্তার’ জানান দিতে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজন করা হয় এই মহাসমাবেশের।

এখন থেকেই যাত্রা শুরু হোক। আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেবো। আমরা ৩০০ আসনেই নির্বাচন করতে চাই। জীবনের শেষ সময়ে এসে পড়েছি। এই নির্বাচন আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। এখন আমার শুধু একটাই ইচ্ছা, মরার আগে আমি দেখে যেতে চাই, জাতীয় পার্টি শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছে। দেখে যেতে চাই, জাতীয় পার্টি আবারো জেগে উঠেছে। জাতীয় পার্টি জনগণের দল হয়েছে, তারা জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এটাই আমার শেষ ইচ্ছা।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টি সবসময় নির্বাচন করেছে। আজও আমরা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। তবে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। অবাধ নির্বাচন চাই। নিশ্চয়তা চাই, আমরা যারা সংসদে আছি সকলের সমন্বয়ে নির্বাচনকালীর সরকার গঠন করতে হবে।

এরশাদ আরো বলেন, আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। এখন থেকেই যাত্রা শুরু হোক। আমরা ৩০০ আসনে মনোনয়ন দেবো। নির্বাচন যারা করতে চাও, এগিয়ে আসো। এ মাসের মধ্যেই পার্লামেন্টারি বোর্ড গঠন করা হবে। তৃণমূলের সমর্থনে মনোনয়ন দেয়া হবে।

জাপার চেয়ারম্যান বলেন, শেষ কথা, নির্বাচনের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। আমি নতুন করে ১৮ দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আমরা নির্বাচনের পদ্ধতি পরিবর্তন করতে চাই। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা চাই। শিক্ষা পদ্ধতি সংস্কার চাই। স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ চাই। শান্তির রাজনীতি চাই। সড়ক নিরাপত্তা চাই।

তিনি বলেন, আগামী নির্বাচন হয়ত আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। নির্বাচন নিয়ে অনেক সংশয় আছে। হবে কিনা জানি না। একটা দল ৭ দফা দফা দিয়েছে, এগুলো এই সংবিধান অনুয়ায়ী মানা সম্ভব না। তবে আমরাও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনকালীন সরকার চাই।

সমাবেশে সিনিয়র কো চেয়ারম্যান রওশন এরশাদ বলেন, আমরা ক্ষমতায় যাবই যাব। এজন্য দলকে সংগঠিত করতে হবে। যে উন্নয়নের ধারা সূচিত হয়েছে, জাতীয় পার্টিই সেটা ধরে রাখতে পারবে।

সম্মিলিত জাতীয় জোটের এ সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য সালমা ইসলাম, ফয়সল চিশতী, আবু হোসেন বাবলা, খেলাফত মজলিশের জোবায়ের আহমদ আনসারী, ইসলামিক ফ্রন্টের এমএ মান্নান, আবু সুফিয়ান, বিএনএর সেকান্দর আলী প্রমুখ।