রাজাকারের সন্তানদের দম্ভ চূর্ণ করতে হবে : আইজিপি

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬:৩৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২১ | আপডেট: ৬:৩৬:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২১

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমরা হতভম্ব হয়ে দেখি রাজাকারপুত্ররা দম্ভের সাথে চিৎকার করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছে, ‘আমি রাজাকার পুত্র’। স্বাধীনতার মাত্র ৫০ বছরের মধ্যে রাজাকারের পুত্র-সন্তানরা কীভাবে এ দুঃসাহস পায় বাংলার মাটিতে? রাজাকারের সন্তানদের দম্ভ চূর্ণ করতে হবে।

বুধবার (২৮ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশ লাইনসে ভার্চুয়ালে যুক্ত হয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ নোয়াখালী জেলা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও মুক্তিযুদ্ধ ভাস্কর্য ‘নির্ভীক’ এবং নোয়াখালী জেলা পুলিশের তিনটি নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার স্পিনা রানী প্রামাণিকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, কমান্ড্যান্ট (ডিআইজি) পিটিসি নোয়াখালী এসএম রোকন উদ্দিন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) ইকবাল হোসেন ও জেলা প্রশাসক খোরশেদ আলম খান।

আইজিপি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে জেলার পুলিশ সদস্যদের অনন্য অবদান নিয়ে প্রকাশিত বইটি ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। এমন উদ্যোগের জন্য তিনি নোয়াখালী জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানান। ‘নির্ভীক’ ভাস্কর্য মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে তরুণ প্রজন্মের কাছে নতুন করে শেখাবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো.আলমগীর হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ নোয়াখালী জেলা’ একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণাধর্মী গ্রন্থ। নোয়াখালীতে মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথা কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে এ গ্রন্থে। যা এতদিন অনেকটা চাপা পড়ে ছিল।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, নির্ভীক ভাস্কর্যটি মহান মুক্তিযুদ্ধে নোয়াখালী জেলা পুলিশের গৌরবদীপ্ত অবদান স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য। মুক্তিযুদ্ধে নোয়াখালী জেলা পুলিশের দুঃসাহসী ভূমিকা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ভাস্কর্যটিতে।