রাবিতে ছাত্রদের হলে বান্ধবীকে বসানো নিয়ে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে সংঘর্ষ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৫৩:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছাত্রদের একটি আবাসিক হলের গেস্টরুমে তিন বান্ধবীকে বসানোকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার দুপুরে দুই দফায় চলা এই মারামারিতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে আটজন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর ও ছাত্রলীগের সিনিয়র নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুত্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ হলের গেস্টরুমে বসেছিলেন ফাইন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনুর কাছের ছোটভাই কামরুল হাসান।

একই সময়ে হলের গেস্টরুমে তিন বান্ধবী নিয়ে প্রবেশ করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সাকিবুল হাসান বাকির অনুসারী একরাম হোসেন রিওন। এরপর গেস্টরুমে বসা নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তা মারামারিতে গড়ায়।

জানা গেছে, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে কামরুলকে মারধর করেন রিওনসহ কয়েকজন। ঘটনার প্রায় দেড়ঘণ্টা পর দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা হলের সামনেই রিওনসহ কয়েকজনকে মারধর করেন।

দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন, ফাইন্যান্স বিভাগের কামরুল হাসান, ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের লিমন, দর্শন বিভাগের একরাম হোসেন রিওন, মারুফ পারভেজ, রনি, জসিম, ইতিহাস বিভাগের রাজিব লোক প্রশাসন বিভাগের সোহেল।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সাকিবুল হাসান বাকি বলেন, ‘২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলাম। কিন্তু কোন পদ পাইনি। সেই এক বছরের কমিটির তিনবছর হলো কিন্তু নতুন কমিটির কোন নাম গন্ধ নেই। আর আমার ছেলেরা নির্যাতনের শিকার হয়েই যাচ্ছে।’

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু বলেন, ‘গেস্টরুম থেকে গণ্ডগোলের শুরু। এরপর লিওন তার বন্ধুদের নিয়ে কামরুলের রুম ভাঙচুর করে। পরে আমি সভাপতি ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান বলেন, ‘গেস্টরুমে বসাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের ঝামেলা হয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রোক্টরিয়াল টিম এসে বড় কোন ঘটনা ঘটতে দেয়নি। ক্যাম্পাস এখন শান্ত।’