রেলের ‘কোটার টিকিট’ কোথায় যাচ্ছে? : রেলওয়ে কর্মকর্তাদের রেলপথমন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১০:৫২ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৪, ২০১৯ | আপডেট: ২:১৫:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ১৫, ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহিত

নতুন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চেয়েছেন ট্রেনের কোটার টিকিট কোথায় যায়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সোমবার (১৪ জানুয়ারি) রাজধানীতে রেলভবনে বিকেল সাড়ে ৩টায় এক অনুষ্ঠান শেষে এ কথা জানান। মেসার্স প্রোগ্রেসিভ রেল ইউএসএ’র কাছ থেকে ৪০টি ব্রডগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক্যাল লোকোমোটিভ ইঞ্জিন কিনতে বাংলাদেশ রেলওয়ে চুক্তি সই করে ওই অনুষ্ঠানে।

নতুন রেলপথমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর মো. নূরুল ইসলাম সুজন এই প্রথম কোনো চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলেন। তবে চুক্তি সইয়ের আনুষ্ঠানিকতায় যাওয়ার আগেই রেলওয়ে কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।

চুক্তি সইয়ের পর রেলপথমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, ৪০টি ব্রডগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ইঞ্জিন কেনার চুক্তি সই হয়েছে। এর ফলে রেলওয়েতে মোট ইঞ্জিনের সংখ্যা হবে ১৩৪টি। নতুন লোকোমোটিভ ইঞ্জিনগুলো হবে ১৩৫ কি‌লো‌মিটার গতির। ইঞ্জিনের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে কোচও আমদানি করছে রেলওয়ে।

পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, রেলের কোটার টিকিট কোথায় যাচ্ছে, তা তিনি বৈঠকে জানতে চান। কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে নির্দেশ দেন তিনি।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ শামসুজ্জামান এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে

প্রোগ্রেসিভ রেলের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিক ড্যানেল। চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৩৬ মাসের মধ্যে লোকোমোটিভগুলো সরবরাহ করবে মেসার্স প্রোগ্রেসিভ রেল ইউএসএ। ইঞ্জিনগুলোর দাম ১ হাজার ১২৩ কোটি ৫ লাখ টাকা।

এছাড়া বৈঠকে পরিবেশ রক্ষায় রেলওয়েতে পয়‌ঃনিষ্কা‌শনের নির্ধারিত ব্যবস্থা এবং তা অপসারণের পদ্ধতি সংযোজনের জন্যও রেলও‌য়ে‌কে নির্দেশ দেন মন্ত্রী। নতুন কোচগু‌লো‌তে নতুন এই পদ্ধতি যুক্ত করা হবে বলে জানান নুরুল ইসলাম সুজন।
Add Image