‘শুধু শ্রমিক ধর্মঘটের সময় শাজাহান খানকে দরকার?’

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:০০ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮ | আপডেট: ১২:০০:পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৩০, ২০১৮
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কার্যকরি সভাপতি মন্ত্রী শাজাহান খান। ফাইল ছবি

আট দফা দাবিসহ সংসদে পাসকৃত ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ এর ধারা সংশোধনের দাবিতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের ডাকা শ্রমিক ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন চলছে সোমবার ।

যে আইনটি বছরেরও বেশি সময় ধরে আলাপ-আলোচনা ও নানা প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে অনুমোদন দিয়েছে সে আইনের বিরুদ্ধে এই ধর্মঘট ডাকা হয়েছে ।পরিবহন শ্রমিক, মালিক ও সরকারি দলের নেতারাও ওই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

তাহলে তারা কেন এখন আপত্তি তুলছেন? বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলীকে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, মোট ১৮টি বৈঠক হয়েছে, সেখানে আমরা পরিষ্কার করে বলেছি জামিন অযোগ্য মামলা হবে না। তারা (সরকার) বলেছিল, দুর্ঘটনার সর্বোচ্চ সাজা হবে তিন বছর।

কিন্তু পরে তারা সেটাকে বাড়িয়ে পাঁচ বছর করেছে। আমরা সেটাও মেনে নিয়েছি। বলেছি, দুর্ঘটনা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের সাজায় আপত্তি নেই। কিন্তু পরে তো তারা এটাকে জামিন-অযোগ্য করে দিল। এটা কিছুতেই গ্রহণযোগ্য নয়।

মাননীয় মন্ত্রী (সড়ক ও সেতু বিষয়কমন্ত্রী) তখন বলেছেন, আপনাদের কাছে এটা পাঠানো হয়েছে শুধু ফর্মালিটির জন্য। আপনারা ফর্মালিটি রক্ষা করে এটা পাঠিয়ে দেন। আমরা তাই করেছি।

কিন্তু বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান বর্তমান সরকারের একজন মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের নেতা। তিনিও ওইসব বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তাহলে তখন কেন এসব অভিযোগ তুললেন না?

এমন প্রশ্নের জবাবে ওসমান আলী পাল্টা প্রশ্ন করেছেন, তিনি তো নৌপরিবহনমন্ত্রী, এটা কি তার দায়িত্ব? ২০১৪ সালে বিরোধীদের অবরোধের সময় শাজাহান খানকে লাগে সরকারের, আর এখন আপনি বলেন আপনার মন্ত্রীও তো ছিলেন।