সরকার চাইলে যে কোনো দিন আমরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত : মওদুদ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৮ | আপডেট: ৭:৫২:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৮
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপে বসতে রাজি হওয়ায় স্বাগত জানিয়ে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, সরকার চাইলে যে কোনো দিন আমরা আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

সোমবার বিকালে রাজধানীর মতিঝিলে মওদুদ আহমদের চেম্বারে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

মওদুদ আহমদ বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায়। যে কোনো দিন আলোচনায় বসতে প্রস্তুত।

এদিন বিকালে আওয়ামী লীগের সংবাদ সম্মেলনের পর করার পর ক্ষমতাসীনদের সংলাপে রাজি হওয়াসহ পুরো বিষয়গুলো পর্যালোচনায় বসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির আ স ম আবদুর রব ও আবদুল মালেক রতন, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু ও মোকাব্বির খান, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না ও জাহেদুর রহমান, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার সুলতান মো. মনসুর ও আ ব ম মোস্তফা আমিন। এছাড়া গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি জাফরুল্লাহ চৌধুরীও এই বৈঠকে রয়েছেন।

এ বিষয়ে ঐক্যফ্রন্টের এক নেতা বলেন, ক্ষমতাসীনদের সংলাপে রাজি হওয়াসহ পুরো বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন তারা।

সোমবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে সংলাপে বসবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, সংলাপের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দরজা সবার জন্য সব সময় খোলা। পার্টির পক্ষ থেকে আমরা জানিয়ে দিচ্ছি এই সংলাপে আমরা সম্মত। খুব শীঘ্রই জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে এই সংলাপের স্থান ও সময় জানিয়ে দেয়া হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ১১ দফা কর্মসূচি ও ৭ দফা দাবি মেনে নেয়া হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, কোন দাবি মেনে নেয়া হবে আর কোনটা মেনে নেয়া হবে না আমরা এখন এ বিষয়ে কিছুই বলতে চাইনা, সংলাপে সব বিষয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে, গতকাল রোববার প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সংলাপে বসার জন্য চিঠি দেন গণফোরাম সভাপতি ও বিশিষ্ট আইনজীবী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

সাত দফা দাবি এবং ১১ দফা লক্ষ্য সম্বলিত চিঠিটি গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের দুই নেতা গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু ও জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়ার সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহম্মেদ চিঠিটি পৌঁছে দেন।