সাধনচন্দ্র মজুমদারকে খাদ্য মন্ত্রী করায় আনন্দে ভাঁসছে বরেন্দ্র বাসী

প্রকাশিত: ১:৪০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০১৯ | আপডেট: ১:৪১:অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৭, ২০১৯

এম আর রকি, নওগাঁ প্রতিনিধী: এবার তৃতীয় বারের মতো মন্ত্রিপরিষদ গঠন করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার । আর এ মন্ত্রী পরিষদে বড় চমক হিসাবে জায়গা পেয়েছে একাধিক নতুন মুখ ।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ফোন পেয়েছেন নওগাঁ-১ আসন থেকে সদ্যনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার। বরেন্দ্র এলাকার এই প্রথম কোন পুর্নমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় আনন্দে ভাসছে পুরো জেলা ।

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মোবাইলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে টেলিফোন করা হয়। আগামীকাল সোমবার বঙ্গভবনে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।
সাধন চন্দ্র মজুমদারের বাড়ি নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার শিবপুর গ্রামে। নওগাঁ শহরের পোস্ট অফিস পাড়ায় সপরিবারে বসবাস করেন তিনি। বাবা মৃত কামিনী কুমার মজুমদার ও মা মৃত সাবিত্রী বালা মজুমদার। চার মেয়ে সন্তানের জনক তিনি।

সাধন চন্দ্র মজুমদারকে মন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করায় নওগাঁতে বইছে আনন্দের বন্যা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে অভিনন্দন বার্তা। ফেসবুকে সাধন চন্দ্র মজুমদারের ছবিসহ পোস্ট ও স্ট্যাটাস দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন মহলের লোকজন।

বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হচ্ছে। নওগাঁবাসী মনে করছেন তিনি এমপি হয়ে যে উন্নয়ন করেছেন মন্ত্রী হিসেবে আরও বেশি উন্নয়ন করবেন। জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন সাধন চন্দ্র মজুমদার ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত হন।

নির্বাচনে বিপুুল ভোটের মাধ্যমে তিনবারের নির্বাচিত বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ডা. ছালেক চৌধুরীকে পরাজিত করেন। দশম সংসদ নির্বাচনেও তিনি জয়লাভ করেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমানকেকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে টানা তৃতীয়বারের মতো এমপি হন সাধন চন্দ্র মজুমদার।

নিয়ামতপুর-পোরশা ও সাপাহার উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, পানির সু-ব্যবস্থা, বনায়ন, শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃষ্টান্তমূলক অবদান রেখেছেন সাধন মজুমদার। সাপাহার উপজেলা ৮৫ শতাংশ এবং পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন উদ্বোধন করেছেন তিনি। সব মিলিয়ে নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার নিজের ও নিজ দল আওয়ামী লীগের গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে পানি সেচ সমস্যার অনেকটাই সমাধান করেছেন।

সাপাহার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ শামসুল আলম শাহ চৌধুরী বলেন, আমাদের এমপি সাধন চন্দ্র মজুমদারকে মন্ত্রী ঘোষণা করায় আমরা অত্যন্ত খুশি। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সত্যের একটা জয় আছে। সততার মূল্য আছে। উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। সেই সঙ্গে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি একজন যোগ্য ব্যক্তিকে যোগ্যতম স্থানে স্থান দেয়ার জন্য।

তিনি আরও বলেন, এমপি হিসেবে এ আসনে যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছেন মন্ত্রী হিসেবে আরও উন্নয়ন করবেন সাধন চন্দ্র। তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলে কোনো মাধ্যম লাগে না। যেকোনো সমস্যা নিয়ে তার কাছে সহজে যেতে পারে সাধারণ মানুষ।