সিনোভ্যাকের ২ ডোজ নেওয়ার ৬ মাস পর কমতে থাকে অ্যান্টিবডি

টিবিটি টিবিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯:০৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১ | আপডেট: ৯:০৫:অপরাহ্ণ, জুলাই ২৭, ২০২১

চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেকের কোভিড-১৯ টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার ছয় মাস যেতে না যেতেই শরীর থেকে মিলিয়ে যেতে শুরু করে অ্যান্টিবডি। এমনকি এই অ্যান্টিবডির মাত্রা নির্ধারিত সর্বনিম্ন মানদণ্ডের নিচেও চলে যায়।

চীনের বিজ্ঞানীদের ল্যাবে করা নতুন এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে বলে সোমবার খবর দিয়েছে রয়টার্স। তবে তৃতীয় একটি ডোজ দেয়া হলে তা করোনার বিরুদ্ধে শক্তিশালী অ্যান্টিবডি তৈরি করে বলেও দাবি করা হয়েছে ওই গবেষণায়।

রোববার প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবেষণাগারে ৮ থেকে ৫৯ বছর বয়সী স্বাস্থ্যবান ৫৪০ জনের রক্তের নমুণা বিশ্লেষণ করা হয়। যারা টিকার দুই ডোজ নিয়েছিলেন, দুই বা চার সপ্তাহ ব্যবধানে তাদের নিস্ক্রিয় অ্যান্টিবডি ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ ও ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ থাকে। এরপরও ছয় মাস পর দেহে শনাক্তযোগ্য মাত্রার অ্যান্টিবডি থাকে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, অ্যান্টিবডি হ্রাস টিকার কার্যকারিতার ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা স্পষ্ট ছিল না। কী পরিমাণ অ্যান্টিবডি থাকলে টিকা রোগ প্রতিরোধে সক্ষম সেই মাত্রা এখনও নির্ধারণ করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

যারা সিনোভ্যাকের টিকা নিয়েছেন তাদেরকে বুস্টার ডোজ হিসেবে মডর্না ও ফাইজারের টিকা দেওয়ার ব্যাপারে ইতোমধ্যে সম্মত হয়েছে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া। তুরস্ক অবশ্য তৃতীয় ডোজ হিসেব সিনোভ্যাক বা ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু করেছে।

গবেষকরা সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, করোনার উচ্চ সংক্রামক ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডির কার্যকারিতা নিয়ে তারা এখনও গবেষণা করেননি। তৃতীয় ডোজ নেওয়ার পর অ্যান্টিবডির স্থায়িত্ব নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।