সেটি ধর্ষণ নয়, যা কিছু ঘটেছে দুজনের সম্মতিতেঃভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৮ | আপডেট: ১২:০৮:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩, ২০১৮
সাংবাদিক পল্লবী গগৈয়ের ও ভারতের প্রাক্তন মন্ত্রী এম জে আকবর। ছবি: কোলকাতা ২৪

ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের প্রাক্তন জুনিয়র মন্ত্রী এম জে আকবরের বিরুদ্ধে আরো একজন নারী ধর্ষণের অভিযোগ এনেছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে আকবর বলেন, নব্বইয়ের দশকে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে যা কিছু হয়েছিল,সেটি ধর্ষণ নয় সবই দু’জনের সম্মতিতে।

এক সময়ের নামকরা সম্পাদক এম জে আকবরের বিরুদ্ধে বেশ কজন নারী সাংবাদিক যৌন হেনস্থার অভিযোগ আনেন। অভিযোগের মুখে পদত্যাগ করেন তিনি।





এবার নতুন করে অভিযোগ আনলেন মার্কিন নিবাসী সাংবাদিক পল্লবী গগৈয়ের। ওয়াশিংটন পোস্টে তিনি তার অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন।

পল্লবী জানান, সেই সময় তিনি বছর ২৩-এর। ‘এশিয়ান এজ’ পত্রিকায় আকবরের অধীনে কাজ করতেন। আর আকবরের তখন বয়স ৪০।

এই নারী সাংবাদিক জানান, ভারতের জয়পুরের একটি হোটেলে আকবর তার পোশাক ছিঁড়ে ধর্ষণ করেন। তখন লজ্জায় সেই কথা কাউকে বলতে পারেননি তিনি। দু’একজন বান্ধবী জানতেন।





পল্লবীর কথায়, ওই ঘটনার পর দেশ ছেড়ে আমেরিকায় চাকরি খোঁজেন তিনি। বর্তমানে সেখানকারই নাগরিক তিনি। সেখানে ‘ন্যাশনাল পাবলিক রেডিও’(এনপিআর)-তে কর্মরত।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক বিবৃতিতে আকবর জানান, ১৯৯৪ সালে আমাদের দুজনের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি হয়। তাতে দু’জনেরই সম্মতি ছিল। বেশ কয়েকমাস টিকেও ছিল সেই সম্পর্ক।





প্রাক্তন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, সেই সময় তাদের সঙ্গে যারা কাজ করতেন, তাদের অনেকেই সম্পর্কের কথা জানতেন।

এম জে আকবরের স্ত্রী মল্লিকা আকবর বলেন, এতদিন মিটু আন্দোলন থেকে দূরেই ছিলাম। এখন সত্যিটা তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে হচ্ছে। আমার স্বামীর সঙ্গে ওর সম্পর্কের কথা জানতাম আমি। এমনকি আমার সামনেও আকবরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেছেন পল্লবী। একসঙ্গে বসে মদ্যপান করেছেন। তখন নির্যাতনের ছাপ দেখিনি তার মুখে। পল্লবী ডাহা মিথ্যে বলছেন। খবর: আনন্দবাজার