সেতুর উপরে ছিল না ব্যারিকেড, চুরি হয়ে গেছে নোটিশ

প্রকাশিত: ৪:২০ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮ | আপডেট: ৪:২০:অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৮

এতদিন বড় সেতু ভেঙেছে, ছোট সেতু নিয়ে হয়তো তেমন মাথা ঘামায়নি কেউ। কিন্তু গত শুক্রবার সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ফাঁসিদেওয়ার মানগছের সেতু ভেঙে পড়ার পরে এখন ছোট সেতুও আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাসিন্দাদের কাছে।

সেতুটি যে দুর্বল হয়ে পড়েছিল, তা এলাকার বাসিন্দা থেকে শুরু করে নেতা-কর্মকর্তারাও জানতেন। তার পরেও কেন তা সংস্কার করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় মানুষজন।

পঞ্চায়েত সমিতি বলছে, সেতুটি দুর্বল হওয়ার পরে সেখান দিয়ে ভারী গাড়ি চলাচল করা যাবে না বলে সিদ্ধান্ত হয়। সে ব্যাপারে নোটিস টাঙানো হয়। কিন্তু তা চুরি হয়ে যায়।

যদিও উঁচু গাড়ি যাতে যেতে না পারে সেজন্য সেতুর উপরে ব্যারিকেড দেওয়া হয়নি। যা কি না পঞ্চায়েত সমিতির করার কথা। সেটা কেন হয়নি?

সমিতির সভাপতির দাবি, মহকুমা পরিষদ বরাদ্দ দেয়নি বলে কাজ করা যায়নি। কয়েকটা নোটিস বোর্ড, ব্যারিকেডের টাকাও কেন জোগাড় হয় না, সেটাই বুঝতে পারছেন না পার্শ্ববর্তী ১১টি গ্রামের অনেকে।

কয়েকজন জানান, সারা বছর সমিতি এলাকায় গেট, মণ্ডপ আর খাওয়ায় যা খরচ হয়, তার অল্প হলেই সেতুতে ভারী গাড়ি রুখতে নোটিশ দেওয়া যেত।

সেতু ভেঙে পড়ায় কীভাবে চটহাটের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে, তা ভেবেই পাচ্ছেন না বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী গ্রাম গোয়ালগছ, মানগছ এলাকার বাসিন্দারা। একই অবস্থা নিগরগছের বাসিন্দাদের।

সেখানেও সেতু ভেঙে পড়ার আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। মানগছ ও নিগরগছের সেতু দু’টি একই সময়ে করা হয় বলে স্থানীয় ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।