সেলিম ওসমান ৭ ছাগল জবাই দিলেন , আর ভূত তাড়ালেন হুজুর

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৩৫ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮ | আপডেট: ১:৩৫:পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৪, ২০১৮
ছবিঃ সংগৃহিত

টিবিটি দেশজুড়েঃ বিকেএমইএ সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের উদ্যোগে সাতটি ছাগল জবাই করার পর শ্রমিকদের মন থেকে ভূতের ভয় দূর হয়েছে। জানা যায়, ভূতের ভয়ে দুই দিন ধরে কর্মস্থলে যাচ্ছেন না মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইংয়ে কর্মরত ৬ হাজার শ্রমিক।

কারখানায় গিয়ে ভূতের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেন সেলিম ওসমান। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিবরণ শুনেন তিনি। শ্রমিকদের কথাবার্তা শুনে পরে ভূত তাড়ানোর ব্যবস্থা নেন সেলিম ওসমান।





সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান আতঙ্কগ্রস্ত শ্রমিকদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে শ্রমিকদের মধ্য থেকে সন্ধান দেয়া এক হুজুরের মাধ্যমে ভূত তাড়ানোর ব্যবস্থা করেন।

পরে কারখানার ভেতরে সাতটি ছাগল জবাই করা হয় জৈনক হুজুরের বলে দেয়া পদ্ধতি অনুযায়ী। জবাইকৃত ছাগলগুলো হুজুরের বলে দেয়া ঠিকানা অনুযায়ী সাতটি মাদরাসায় পাঠানো হয়।





এরপর সেলিম ওসমান মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইং কারখানায় গিয়ে পৌঁছান । যেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন- মেট্রো নিটিং অ্যান্ড ডাইং কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমল পোদ্দার, বিকেএমইএর জিএম ফারুক, শিল্প পুলিশের সুপার অহিদুল ইসলাম, এএসপি মাহাবুব ও ফতুল্লা থানা পুলিশের ওসি মঞ্জুর কাদের প্রমুখ।

কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে সেলিম ওসমান বলেন, ইসলাম ধর্মে ভূত বিশ্বাস করে না। মূলত কোনো ধর্মেই ভূত বিশ্বাস করে না। এমনকি বিজ্ঞানেও ভূত বিশ্বাস করে না। যদিও আমরা ছাগল জবাই দিয়ে ভূত তাড়িয়েছি।





এই ছাগলগুলো কী ভূতে খেয়েছে? এর আগে অন্য কারখানায় গরু জবাই করে ভূত তাড়ানো হয়েছে। মালিক মুসলিম হলে ভূতে গরু চায় আর হিন্দু হলে ছাগল চায় তাহলে প্রশ্ন থাকে ভূত আসলে কোন ধর্মের? কাজেই ভবিষ্যতে এসব বিশ্বাস করবেন না।

গার্মেন্ট কারখানা থেকে ভূত তাড়ানোর পাশাপাশি এই ভূতের রহস্য এবং একই হুজুরের আগমনের বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে শিল্প পুলিশ ও ফতুল্লা থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন সেলিম ওসমান।