স্বল্প দক্ষ কর্মীরা পাবে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী ভিসার সুযোগ

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮:৪৭ পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০১৯ | আপডেট: ৮:৪৭:পূর্বাহ্ণ, জানুয়ারি ৪, ২০১৯
ছবিঃ সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়া হচ্ছে পৃথিবীর শীর্ষ শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধশালী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। প্রতি বছর প্রায় ২,০০,০০০ (দুই লাখ) দক্ষ লোকের চাহিদা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।

অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, স্বাস্থ্যকর আবহাওয়া, সামাজিক নিরাপত্তা, লেখাপড়ার চমৎকার পরিবেশ, চিকিৎসা সুবিধা এবং উপার্জন করার সুযোগের কারণে সবারই পছন্দের একটি দেশ অস্ট্রেলিয়া।

যেসব কাজে কম দক্ষতা প্রয়োজন, এমন কাজের পেশাদারদের জন্য নতুন বছরের শুরুতেই সুখবর আনছে অভিবাসন খ্যাত দেশ অস্ট্রেলিয়া। দেশটিতে তাদের জন্য স্থায়ী বসবাসের সুযোগ দিয়ে রাজ্যভিত্তিক নতুন ভিসা চালু করছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ।

এমনকি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা কম হলেও এ ভিসায় আবেদন করা যাবে। দেশটির ফেডারেল সরকার ইতিমধ্যেই নর্দান টেরিটরি ও ভিক্টোরিয়া রাজ্য সরকারের সঙ্গে ভিসা সংক্রান্ত চুক্তি সাক্ষর করেছে। অন্য রাজ্যের সঙ্গেও এই চুক্তি হতে পারে।

‘Designated Area Migration Agreements (DAMA)’ নামের প্রকল্পের আওতায় নতুন ভিসাটি অনেকটা দেশটির সাবক্লাস ৪৮২ কর্মভিসার মতোই। এই ভিসার চাহিদার পেশা তালিকায় ১১৭টি পেশা রয়েছে। পেশাগুলো প্রধানত কৃষি ও আতিথেয়তা শিল্পকে কেন্দ্র করে। পেশাগুলোর জন্য উচ্চকর্ম ও ইংরেজি ভাষা দক্ষতার প্রয়োজন নেই।

ভিসার আবশ্যিক শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে, যে রাজ্যের জন্য ভিসা মঞ্জুর হবে, ভিসার ধরনের ওপর নির্ভর করে সেই রাজ্যে দুই ও চার বছর পর্যন্ত বসবাস ও কাজ করতে হবে। রাজ্যের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শ্রমের ঘাটতি পূরণে সহজ শর্তের এই ভিসা চালু করছে সরকার।

যদিও ভিসাটির আবশ্যিক শর্ত ও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো প্রকাশ করেনি অভিবাসন বিভাগ। চলতি বছরের মাঝামাঝির মধ্যেই নতুন ভিসাটির আবেদন প্রক্রিয়া চালুর কথা জানিয়েছেন দেশটির অভিবাসন মন্ত্রী ডেভিড কোলম্যান।সরকার দেশের নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রয়োজন পূরণ করতে অভিবাসন কার্যক্রমকে আরও উন্নতও করার চেষ্টা করছে’, বলেন কোলম্যান।

তিনি জানান, দেশটির প্রধান শহরে জনসংখ্যার চাপ কমাতে নতুন অভিবাসীদের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের শ্রম বাজারের ঘাটতি পূরণেই সরকার নতুন প্রকল্প চালু করেছে। ডিএএমএ প্রকল্পটির যেকোনো তথ্য রাজ্যভিত্তিক অভিবাসন বিভাগের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করবে সরকার।