হাইতিতে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১১

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৭, ২০১৮ | আপডেট: ১২:২৬:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৭, ২০১৮

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার রাত ৮টা ১১ মিনিটে ওই ভূমিকম্প আঘাত হানে। তারা জানাচ্ছে, এটির কেন্দ্র ছিল হাইতির উত্তরাঞ্চলীয় উপকূল পোর্ট-দে-পেইক্সের ১২ মাইল উত্তরপশ্চিমে। ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ৭ দশমিক ৩ মাইল।

হাইতিতে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার আঘাত করা ওই ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানুষজন হতাহতের খবর জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। খবর দ্য হিন্দু, ইউএসএটুডের।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে কমপক্ষে ১১ জন নিহত হয়েছেন। হাইতির উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পুলিশ প্রধান জ্যাকসন হিলাইরে বলেছেন, পোর্ট-দে-পেইক্সে কমপক্ষে সাতজন নিহত এবং আরও শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গ্রস-মোর্নে শহরের মেয়র জ্য রেনেল টাইড জানিয়েছেন, শহরের ভেতর ও আশপাশের এলাকায় এক ছেলেসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা এজেন্সি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওই ভূমিকম্পের পর বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। এছাড়া পোর্ট-দে-পেইক্স, গ্রস-মোর্নে, চানসোলমে ও টার্টল আইল্যান্ডে কিছু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতি হওয়া ভবনগুলোর মধ্যে প্লেইসেন্সে অবস্থিত সেন্ট-মাইকেলের চার্চও রয়েছে।

সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে আরও জানিয়েছে, আহত ব্যক্তিদের অধিকাংশেরই আঘাত সামান্য। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্প হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স ছাড়া প্রতিবেশী দেশ ডোমিনিকান রিপাবলিকেও অনুভূত হয়েছে।

উল্লেখ্য, অপেক্ষাকৃত অনগ্রর হাইতির অধিকাংশ মানুষ ভূমিকম্পে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করে থাকেন। এর আগে ২০১০ সালে ৭ দশমিক ১ মাত্রার শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্স ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওইসময় হাইতিতে তিন লাখ মানুষের মৃত্যু হয়।