২০২২ সালেই সাগরে ভাসবে দ্বিতীয় টাইটানিক

প্রকাশিত: ৮:৫৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৮ | আপডেট: ৯:১১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৯, ২০১৮

১৯১২ সালে তৎকালীন সর্ববৃহৎ স্বপ্নীল জাহাজ নির্মিত হয় ‘টাইটানিক’ নামে। নির্মাতারা এটাকে ‘চিরস্থায়ী ভাসমান’ বিশেষণে বিশেষায়িত করেন। ধারণা করা হয় পৃথিবীর সকল কিছু ডুবে গেলেও টাইটানিকের নিমজ্জন অসম্ভব।





কিন্তু নির্মাতাদের সকল আত্মবিশ্বাস চুর্ণ করে দিয়ে প্রথম যাত্রাতেই আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে চিরদিনের মত তলিয়ে যায় টাইটানিক। ঘটে ইতিহাসের এক অত্যন্ত কালো ও দুঃজনক ঘটনা। বহু মানুষের স্বপ্ন, আশা আর জীবন নিমেষেই শেষ করে দেয় সেই ঘটনা।





হুবহু টাইটানিকের মতোই আরেকটি জাহাজ নির্মাণের প্রকল্পটি ফের চালু হয়েছে। এটি ২০২২ সালে সমুদ্রে যাত্রা শুরু করবে বলে জানিয়েছেন জাহাজটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ব্লু স্টার লাইনের চেয়ারম্যান ক্লাইভ পালমার।তিনি বলেন, ১৯১২ সালে প্রথম সমুদ্র যাত্রায় আইসবার্গের ধাক্কায় ডুবে যাওয়া টাইটানিকের আদলে নির্মিতব্য এই জাহাজ সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে সমুদ্রপথে যুক্তরাজ্যের সাউদাম্পটনের উদ্দেশে রওনা হবে। পরে সেখান থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবে।





গত ১০ অক্টোবর ক্রুজ অ্যারাবিয়া অ্যান্ড আফ্রিকার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই সপ্তাহে লন্ডনে এসব কথা জানান অস্ট্রেলিয়ান বিলিয়নিয়র ক্লাইভ পালমার। জাহাজটির মালিকানা থাকবে ব্লু স্টার লাইন কম্পানির এবং তারাই এটি পরিচালনা করবে।প্রাথমিকভাবে ২০১২ সালে দ্বিতীয় টাইটানিক নির্মাণের জন্য ৫০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ঘোষণা করা হয়। তখন বলা হয়, ২০১৮ সালে দুবাই থেকে যাত্রা শুরু করবে এটি। পরে সিদ্ধান্ত পাল্টায় কম্পানিটি। প্রথম টাইটানিক ডোবার ১১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ২০২২ সালে এটি যাত্রা শুরু করবে।

পালমার বলেন, প্রথম টাইটানিকের মতো করেই এটি নির্মাণ করবে ব্লু স্টার লাইন। প্রথমটিতে যেমন ও যতগুলো কেবিন ছিল, এটাতেও তেমন ও ততগুলোই থাকবে। সেই সঙ্গে থাকবে আধুনিক নিরাপত্তা ও বিলাসবহুল ব্যবস্থা।প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, জাহাজটিতে ২ হাজার ৪০০ যাত্রী এবং ৯০০ ক্রু সদস্যে ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ৯টি ডেক ও ৮৪০টি স্টেটরুম থাকবে। এতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির কেবিনের পাশাপাশি থাকবে সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম, স্মোকিং রুম এবং টার্কিশ বাথ।আরও বলা হয়, প্রথম টাইটানিকের মতোই এই জাহাজেও যাত্রীদের জন্য থাকবে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির টিকেট। তবে জাহাজটির জ্বালানি হিসেবে কয়লার পরিবর্তে ডিজেল ব্যবহার করা হতে পারে।