৮ বছর বয়সে শেষ মাধ্যমিকের বই!

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:০১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮ | আপডেট: ১২:০১:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২৭, ২০১৮
সংগৃহীত

২০১৯ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিবে সাইফা। অথচ কখনও স্কুলের বারান্দা অবধি যাওয়া হয়নি তার। মাত্র ১২ বছর বয়সে মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে সাইফা খাতুন। তবে বাড়িতে পড়াশুনা করেই ৮ বছর বয়সে মাধ্যমিকের বই শেষ করে ফেলেছিল এই কিশোরী।

শুক্রবার ভারতের হাওড়ার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানান, কখনও প্রথাগত স্কুলে পড়েনি সাইফা । হাওড়ার সালকিয়ার এএস হাইস্কুলের বহিরাগত ছাত্রী হিসেবে ২০১৯ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে এই কিশোরী।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার আমতা নামক স্থানের অধিবাসী সাইফা খাতুন এখন বিস্ময় বালিকা। বিস্ময়টা আরও বাড়িয়ে দেয় যখন সাইফার কণ্ঠে শোনা যায়, শুধু পাসই নয়, প্রথম হওয়া তার লক্ষ্য।

তবে স্কুলে না যাওয়া বিষয়ে কোনো আফসোস নেই সাইফার। এ ব্যাপারে সাইফা কবিগুরু রবিঠাকুরের উদাহরণ দেয়। সে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে, রবীন্দ্রনাথ, আশাপূর্ণা দেবী, কেউই স্কুলে গিয়ে পড়াশোনা করেননি। তাই বলে কি তারা অজ্ঞ ছিলেন?

সাইফার বাবা শেখ মোহাম্মদ আইনুল জানান, তিন বছর বয়সেই বড়দের কবিতা মুখস্থ বলতে পারত তার মেয়ে। সেই বয়স থেকেই ইংরেজি ও বাংলা সংবাদপত্র দ্রুত পড়ে ফেলত সে।

এভাবেই পাঁচ বছর বয়সে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ শেষ করে ফেলেছিল সাইফা। মেয়েকে কেন স্কুলে দেন নি এ বিষয়ে শেখ আইনুল বলেন, পঞ্চম শ্রেণিতে ভর্তি করাতে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায় যে, দশ বছরের বেশি বয়স না হলে ভর্তি করানো যাবে না।

এ কথা শুনে বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। তিনি মেয়েকে ঘরেই পড়াতে শুরু করেন সাইফার মা সাহানারা বেগম। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা