H2O রেস্টুরেন্টে গিয়ে পোজ দিলেন সেই প্রতিযোগী

টিবিটি টিবিটি

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১:৩২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০১৮ | আপডেট: ১:৩২:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২, ২০১৮

মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ এর গ্র্যান্ড ফাইনাল এবার নানা কারণে আলোচনায় আসে। প্রতিযোগীদের ভুল-ভ্রান্তিই আড়ালে চলে যাওয়া এই আসরকে আলোচনায় নিয়ে আসে।

বিচারকদের প্রশ্ন বুঝতে না পেরে প্রতিযোগীদের ভুল উত্তর দেয়া কিংবা খুব সহজ প্রশ্নের জটিল ভাবে দেয়া অথবা সাদামাটা প্রশ্ন সম্পর্কে ওয়াকিবহাল না থেকে ভুল উত্তর দেয়া ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগীতাকে সমালোচনার মুখে ফেলে দেয়।

এমনই এক প্রতিযোগী সুমনা নাথ অনন্যা। অনন্যা অনু হিসেবে শোবিজে ইতিমধ্যে পদার্পন করেছেন তিনি। অভিনয়শিল্পী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। টেলিভিশন নাটক করেছেন কয়েকটি। অভিনেতা ডিএ তায়েবের সঙ্গে ডিবির কয়েকটি পর্বও করেছেন তিনি।

সুন্দরী প্রতিযোগিতার আসরে বিচারক খালেদ হোসেন সুজন অনন্যাকে প্রশ্ন করেন ‘ H2O মানে কী?’ অনন্যা প্রশ্নের অর্থ ধরতে পারছিলেন না। সারাদেশের দর্শকের চোখ, ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটির রাজদর্শন হলের হাজার হাজার চোখ তখন বিস্ময় নিয়ে অনন্যাকে দেখছেন।

অনন্যা উত্তর দিতে পারছিলেন না। সুজন উত্তর বলে দিয়ে তার আসলে প্রশ্ন শুরু করেন। এরই মাঝে অনন্যা উত্তর দিয়ে বসেন H2O নামে রেস্টুরেন্ট আছে, ধানমন্ডিতে। রাজদর্শন হলে তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

বিষয়টি নিয়ে সোমবার সোশ্যাল মিডিয়ায় কম জলঘোলা হয়নি। কিন্তু এই ঘোলাজল যেন আরেকটু ঘোলা করে দিলেন অনন্যা। জানা যায়, অনন্যাকে ধানমন্ডিতে সেই রেস্টুরেন্ট আমন্ত্রণ জানায়। তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দেন এই প্রতিযোগী। শুধু তাই নয় সেখানে গিয়ে তাদের আমন্ত্রণ রক্ষা করেন। রেস্টুরেন্টে বেশকিছু ছবি তোলেন এবং নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন তিনি।

অনন্যা মঙ্গলবার বলেন, ‘আসলে প্রশ্নটা বুঝতে আমার সময় লেগেছে। আমি ভেবেছি স্যার হয়তো ফান করেছেন। তিনি যদি বলতেন H2O কিসের সংকেত তাহলে আমার ব্রেইন সেদিকে মুভ করতো। কিন্তু তিনি মানে জানতে চেয়েছেন, যেটার কারণে আমি বিভ্রান্ত হয়েছি।’

নেটিজেনরা অনন্যার এমন কাণ্ডে ভিন্ন ভিন্নমত দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন যেখানে অনুতাপ থাকা উচিৎ, সেখানে বিষয়টি নিয়ে মজা করছেন তিনি। তার এই বিষয়টিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়।

আরেকজন বলছেন, বিচারকের প্রশ্নই হয়নি। ‘H2O মানে কী?’ তিনি যদি পানির সঙ্কেত জিজ্ঞেস করতেন বা এটা কিসের সংকেত বলতেন তাহলেও কথা ছিল। আরেকজন বলছেন, প্রশ্ন না বোঝার উপায় নেই। এটা ক্লাস-সিক্স-সেভেনের বাচ্চারাও জানে।

তবে এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না অনন্যা। তিনি গতকাল সোশ্যাল হ্যান্ডেলে বলেছেন, ‘যার যেমন ইচ্ছে নিতে পারেন। কেউ নেগেটিভলি নিলেও নিতে পারেন, পজেটিভলি নিলেও নিতে পারেন।’ আর তাঁকে আমন্ত্রণ জানানোয় সেই রেস্টুরেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অনন্যা।